এজিথ্রোমাইসিন কিসের কাজ করে - এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম

এজিথ্রোমাইসিন কিসের কাজ করে এবং এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম যদি আপনি জানতে চান তবে এই পর্বটি শুধুমাত্র আপনার জন্য। কেননা আজকের এই পর্বে এজিথ্রোমাইসিন ওষুধ এর খাওয়ার নিয়ম এবং এই ওষুধটি কি কাজ করে ও এজিথ্রোমাইসিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কি সেই সকল সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। এজিথ্রোমাইসিন এই ওষুধের দাম হলোঃ বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড এর এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ এমজি এর দাম বাংলাদেশি টাকায় ৩৫ টাকা।
এজিথ্রোমাইসিন কিসের কাজ করে - এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম
এজিথ্রোমাইসিন ব্যাকটেরিয়া সংক্রমনের কারণে প্রেসক্রাইব করা হয়। তবে এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এজিথ্রোমাইসিন এন্টিবায়োটিক হওয়ার কারণে সঠিক নিয়ম মেনে এই ওষুধ সেবন করতে হবে। এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম এই পর্বে উল্লেখ করা হলো।

সূচিপত্রঃ এজিথ্রোমাইসিন - এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ খাওয়ার নিয়ম

  • এজিথ্রোমাইসিন
  • এজিথ্রোমাইসিন কোন রোগের ঔষধ
  • এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ কিসের কাজ করে
  • এজিথ্রোমাইসিন কিসের কাজ করে
  • এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম
  • এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ খাওয়ার নিয়ম
  • এজিথ্রোমাইসিন কিসের ঔষধ
  • এজিথ্রোমাইসিন এর উপকারিতা
  • এজিথ্রোমাইসিন এর কাজ কি
  • শিশুদের এজিথ্রোমাইসিন
  • এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ এর কাজ কি
  • এজিথ্রোমাইসিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
  • এজিথ্রোমাইসিন কয়টা খেতে হয়
  • এজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট এর কাজ কি
  • এজিথ্রোমাইসিন সিরাপ খাওয়ার নিয়ম
  • এজিথ্রোমাইসিন ডোজ
  • এজিথ্রোমাইসিন কত দিন খাওয়া যায়
  • এজিথ্রোমাইসিন এর দাম
  • গর্ভাবস্থায় কি এজিথ্রোমাইসিন খাওয়া যায়
  • এজিথ্রোমাইসিন কোন কোম্পানির ঔষধ
  • এজিথ্রোমাইসিন ঔষধের অন্যান্য ব্র্যান্ড সমূহ
  • এজিথ্রোমাইসিন ড্রাই সিরাপ
  • শেষ কথা

এজিথ্রোমাইসিন

এজিথ্রোমাইসিন এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যেটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধিকে বাঁধাকস্তও করে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের সাহায্য করে। এটি ভাইরাস ঘটিত সাধারণ বা সর্দির ক্ষেত্রে ব্যবহার করার কোন পরামর্শ দেওয়া হয় না। শুধুমাত্র রেজিস্টার চিকিৎসক দ্বারা এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ সেবনের নির্দেশনা রয়েছে। মধ্য কানের সংক্রমণ। ডায়রিয়া ও কখনো কখনো অন্ত ও যৌন সংক্রমনের জন্য এজাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা হয়। এ জাতীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে। কোনভাবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। তাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।

এজিথ্রোমাইসিন কোন রোগের ঔষধ

এজিথ্রোমাইসিন কোন রোগের ঔষধ তাই আমরা আজকে আজিথ্রোমাইসিন সম্পর্কে আলোচনা করব।  এজিথ্রোমাইসিন কোন রোগের ঔষধ সঠিকভাবে না জেনে অথবা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা উচিত নয়। সাধারণত স্টেপটোকক্কাস জাতীয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনের অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক ঔষধ প্রেসক্রাইব করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন রকম সংক্রমনের বিরুদ্ধে এজিথ্রোমাইসিন দেওয়া হয়। যেমনঃ মধ্যকানের সংক্রমণ, চামড়া বা নরম টিস্যুর সংক্রমণ, টনসিলাইটিস, ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া ইত্যাদি চিকিৎসায় এজিথ্রোমাইসিন দেওয়া হয়।

এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ কিসের কাজ করে

অনেক সময় আমরা ওষুধ সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে সেবন করে থাকি। যেটা আমাদের শরীরের জন্য আরো ঝুঁকিপূর্ণ। এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ কিসের কাজ করে না জেনে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের কথাই না খাওয়ার অনুরোধ রইলো। এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ কিসের কাজ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে অবশ্যই সেবন করবেন। এজিথ্রোমাইসিন সংবেদনশীল জীবাণু গঠিত সংক্রমণের নির্দেশিত হয়ে থাকে। শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ যেমন ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া। শ্বাসতন্ত্রের উধাংশের সংক্রমণ যেমনঃ সায়ানোসাইটিস, ফেরিনজাইটিস বা টনসিলাইটিস, ওটিজি মিডিয়া ও অন্যান্য নরম কলা সমূহের সংক্রমণ এছাড়াও পুরুষ ও মহিলার যৌনবাহিত রোগ যেমন নন-গনকক্কাল ইউরেথ্রাইটিস, ক্লেমাইউয়া ঘটিত সার্ভিসাইটিস চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এজিথ্রোমাইসিন কিসের কাজ করে

আপনি কি জানেন এজিথ্রোমাইসিন কিসের কাজ করে? এজিথ্রোমাইসিন কি ধরনের কাজ করে যদি না জেনে থাকেন এবং যদি জানতে চান তবে এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নিন। এজিথ্রোমাইসিন কিসের কাজ করে তা উল্লেখ করা হলোঃ সাধারণত স্টেপটোকক্কাস জাতীয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনের অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় এন্টিবায়োটিক ঔষধ প্রেসক্রাইব করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন রকম সংক্রমনের বিরুদ্ধে এজিথ্রোমাইসিন দেওয়া হয়। যেমনঃ মধ্যকানের সংক্রমণ, চামড়া বা নরম টিস্যুর সংক্রমণ, টনসিলাইটিস, ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া ইত্যাদি চিকিৎসায় এজিথ্রোমাইসিন দেওয়া হয়।

এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম

এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম রয়েছে। অবশ্যই এই নিম্নের নিয়মগুলো মেনে এই ওষুধটি সেবন করতে হবে। এজিথ্রোমাইসিন যেহেতু এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেও তো মানবদেহে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে। তাই অবশ্যই এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার নিয়ম মেনে খেতে হবে।এজিথ্রোমাইসিন ঔষধ খাওয়ার পূর্বে যে সকল বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো হল রোগীর সংক্রমণের ধরন, রোগীর বয়স ওজন ও দৈহিক গঠন, এবং অসুস্থতার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন দোজ দেওয়া হয়ে থাকে। ক্যাপসুল বা সাসপেনশন খাবার গ্রহণের অন্তত এক ঘন্টা পূর্বে অথবা দুই ঘন্টা পরে গ্রহণ করতে হবে। অ্যাস্ট্রোমাইসিন ৫০০ ট্যাবলেটটি খাবার গ্রহণের পূর্বে খাবার গ্রহণের পরে কিংবা খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করা যেতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যঃ

শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য ৫০০ এমজি এজিথ্রোমাইসিন দিনে তিনবার পরপর তিনদিন খেতে হবে। বিকল্প মাত্রায় ২৫০ এমজি এজিথ্রোমাইসিন চারদিন পরপর খেতে হবে। যৌনবাহিত সংক্রমনের ক্ষেত্রে দিনে দুইবার ৫০০ এমজি এজিথ্রোমাইসিন দুইদিন ধরে খেতে হবে।

শিশুদের জন্যঃ

ছয় মাসের অধিক শিশুদের জন্য প্রতি কেজি গড়ে  ১০ মিলিগ্রাম করে আজিথ্রোমাইসিন পর পর তিনদিন দিতে হয়। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে পাঁচ মিলিগ্রাম করে পরপর চার দিন এজিথ্রোমাইসিন দেওয়া হয়। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এজিথ্রোমাইসিন ব্যবহারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিভিন্ন কারণে ওষুধের মাত্রার তারতম্য হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডাক্তার যেভাবে পরামর্শ দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই নির্দেশনা অনুযায়ী ঔষধ গ্রহণ করুন।

এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ খাওয়ার নিয়ম

এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ খাওয়ার নিয়ম হলঃ

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যঃ

শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য ৫০০ এমজি এজিথ্রোমাইসিন দিনে তিনবার পরপর তিনদিন খেতে হবে। বিকল্প মাত্রায় ২৫০ এমজি এজিথ্রোমাইসিন চারদিন পরপর খেতে হবে। যৌনবাহিত সংক্রমনের ক্ষেত্রে দিনে দুইবার ৫০০ এমজি এজিথ্রোমাইসিন দুইদিন ধরে খেতে হবে।

শিশুদের জন্যঃ

ছয় মাসের অধিক শিশুদের জন্য প্রতি কেজি গড়ে  ১০ মিলিগ্রাম করে আজিথ্রোমাইসিন পর পর তিনদিন দিতে হয়। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে পাঁচ মিলিগ্রাম করে পরপর চার দিন এজিথ্রোমাইসিন দেওয়া হয়। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এজিথ্রোমাইসিন ব্যবহারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিভিন্ন কারণে ওষুধের মাত্রার তারতম্য হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডাক্তার যেভাবে পরামর্শ দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই নির্দেশনা অনুযায়ী ঔষধ গ্রহণ করুন।

এজিথ্রোমাইসিন কিসের ঔষধ

এজিথ্রোমাইসিন কিসের ঔষধ জানতে চান? তাহলে জেনে নিন এজিথ্রোমাইসিন কিসের ঔষধ। ম্যাক্রোলাইড এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ হলো এজিথ্রোমাইসিন। এটি ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধিতে এবং ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এজিথ্রোমাইসিন সাধারণ ভাইরাস ঘটিত সর্দি জ্বর বা ফ্লু জাতীয় সংক্রমনের ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয় না। এ জাতীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের শুধুমাত্র রেজিস্টার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দেওয়া হয়।

এজিথ্রোমাইসিন এর উপকারিতা

এজিথ্রোমাইসিন এর উপকারিতা এবং কার্যকারিতা থাকার কারণে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ সূত্রে যে কোন রোগের কারণে এই ঔষধ খাওয়ার জন্য প্রেসক্রিপশন করে থাকে। এজিথ্রোমাইসিন এর উপকারিতা অনেক। এই উপকারিতা গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো।

এজিথ্রোমাইসিন মেক্রোলাইড জাতীয় এন্টিবায়োটিক গুলোর মধ্যে একটি। এটি সংক্রমনের চিকিৎসার জন্য অনেক উপকারী। ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া ও মধ্যকানের সংক্রমনের চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হয়। কখনো কখনো ম্যালেরিয়া নিরাময়ও অ্যাজেট্রোমাইসিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে এছাড়াও পুরুষ এবং মহিলার যৌন সংক্রামিত রোগের এবং অন্তরের সংক্রমণ রোধ ব্যবহার করা হয়।

এজিথ্রোমাইসিন এর কাজ কি

এজিথ্রোমাইসিন এর কাজ কি নিশ্চয়ই জানতে চাচ্ছেন? এজিথ্রোমাইসিন এর কাজ কি বিস্তারিত সহ জেনে নিন আজকের এই পর্বে। এজিথ্রোমাইসিন এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যেটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধিকে বাঁধাকস্তও করে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের সাহায্য করে। এটি ভাইরাস ঘটিত সাধারণ বা সর্দির ক্ষেত্রে ব্যবহার করার কোন পরামর্শ দেওয়া হয় না।

শুধুমাত্র রেজিস্টার চিকিৎসক দ্বারা এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ সেবনের নির্দেশনা রয়েছে। মধ্য কানের সংক্রমণ। ডায়রিয়া ও কখনো কখনো অন্ত ও যৌন সংক্রমনের জন্য এজাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা হয়। এ জাতীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে। কোনভাবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। তাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।

শিশুদের এজিথ্রোমাইসিন

শিশুদের এজিথ্রোমাইসিন খাওয়াতে হবে অনেক সাধনতার সাথে। এক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুদের এজিথ্রোমাইসিন নিয়ম রয়েছে। এজিথ্রোমাইসিন(জিথ্রোম্যাক্স) এমন একটি এন্টিবায়োটিক যেটি প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের জন্য সমানভাবে ব্যাকটেরিয়া চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি মূলত মধ্য কর্ণের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া এবং সাইনাস এর সংক্রমণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ছয় মাসের অধিক বয়সী শিশুদের জন্য এটি নিরাপদ ও অনুমোদিত। যাদের ক্ষেত্রে পেনিসিলিন সেনসিটিভিটি রয়েছে তাদের জন্য এটি একটি বিকল্প এন্টিবায়োটিক।

এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ এর কাজ কি

এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ এর কাজ কি জানতে পারবেন এই পর্বের মাধ্যমে। এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ একটি এন্টিবায়োটিক ঔষধ। এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ এর কাজ কি তা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যেটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধিকে বাঁধাকস্তও করে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের সাহায্য করে। এটি ভাইরাস ঘটিত সাধারণ বা সর্দির ক্ষেত্রে ব্যবহার করার কোন পরামর্শ দেওয়া হয় না। শুধুমাত্র রেজিস্টার চিকিৎসক দ্বারা এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ সেবনের নির্দেশনা রয়েছে। মধ্য কানের সংক্রমণ। ডায়রিয়া ও কখনো কখনো অন্ত ও যৌন সংক্রমনের জন্য এজাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা হয়। এ জাতীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে। কোনভাবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। তাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।

এজিথ্রোমাইসিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

এজিথ্রোমাইসিন খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই এজিথ্রোমাইসিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো জেনে নিবেন। কেননা এজিথ্রোমাইসিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যেকোনো সময় দেখা দিতে পারে। তাই পূর্ব থেকেই সতর্ক থাকবেন। এজিথ্রোমাইসিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো হলোঃ
  • শুকনো বা কফ যুক্ত কাশি
  • ডায়রিয়া
  • বমি বমি ভাব/বমি হওয়া
  • জ্বর
  • এসিডিটি
  • খিটখিটে মেজাজ
  • হাইপার সেনসিটিভিটি
  • এলার্জিক রিএকশন
  • গ্যাস্ট্রো ইন্ডাসটাইনাল প্রবলেম
  • পেটে অতিরিক্ত গ্যাস
  • খাবার চিবাতে সমস্যা

এজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট এর কাজ কি

এজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট এর কাজ কি নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
  • ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধ করে
  • ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তারে বাধা সৃষ্টি করে
  • ব্যাকটেরিয়ার এনজাইম নষ্ট করে দেয়
  • ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে সাহায্য করে
  • অন্যান্য সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

এজিথ্রোমাইসিন সিরাপ খাওয়ার নিয়ম

এজিথ্রোমাইসিন সিরাপ শিশুদেরকে বেশি দেওয়া হয়। তাই অবশ্যই এই ওষুধ খাওয়ার পূর্বে এজিথ্রোমাইসিন সিরাপ খাওয়ার নিয়ম জেনে নিবেন। অথবা এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নিন এজিথ্রোমাইসিন সিরাপ খাওয়ার নিয়ম। যেহেতু আজিথ্রোমাইসিন এক ধরনের এন্টিবায়োটিক ঔষধ অবশ্যই এটি ব্যবহার করার পূর্বে রেজিস্টার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে। প্রেসক্রিপশনের ডাক্তার যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই ঔষধ সেবন করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ গ্রহণ না করলে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

এজিথ্রোমাইসিন ডোজ

এজিথ্রোমাইসিন ডোজ হলোঃ প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জন্য এজিথ্রোমাইসিন সাধারণত ৫০০ মিলিগ্রামের ক্যাপসুল এর সেবন মাত্রা দৈনিক একটি করে। এছাড়াও রোগীর অবস্থা ভেদে চিকিৎসক যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন সেভাবে ঔষধ গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ৭দিন বা ৩দিনের চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে।

এজিথ্রোমাইসিন কত দিন খাওয়া যায়

এজিথ্রোমাইসিন কত দিন খাওয়া যায় ডাক্তারের পরামর্শ নিলে অবশ্যই সেই ডাক্তাররা চিকিৎসক আপনাকে বলে দিবে। তবুও ধারণা করে এজিথ্রোমাইসিন কত দিন খাওয়া যায় তা নিচে উল্লেখ করা হলো।

এজিথ্রোমাইসিন এটি এন্টিবায়োটিক গ্রুপের ঔষধ। বিভিন্ন প্রকার ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধে এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এজিথ্রোমাইসিন সাধারণত দিনে একবার গ্রহণ করা উচিত। এটি মূলত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত রোগের বিরুদ্ধে সক্রিয়। অন্যান্য ভাইরাস ঘটিত সাধারণ ফ্লু বা সর্দি-কাশির জন্য এটি ব্যবহার করা অনুমতি নেই। এজিথ্রোমাইসিন এন্টিবায়োটিক হওয়ায় এটি সাধারণত তিন দিন, সাত দিন, ১৪ দিন বা ২১ দিনের ডোজ সম্পন্ন করতে হয়।

এজিথ্রোমাইসিন এর দাম

এজিথ্রোমাইসিন এর দাম দামগুলো হলঃ
  • এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ mg ক্যাপসুল এর দাম ১৮.৩০ টাকা
  • এজিথ্রোমাইসিন ৫০০mgট্যাবলেট এর দাম ৩০ টাকা
  • এজিথ্রোমাইসিন 200 mg/5ml পাউডার সাসপেনশন এর দাম 38.24 টাকা
  • এজিথ্রোমাইসিন ২৫০mgএর দাম ৯ টাকা

গর্ভাবস্থায় কি এজিথ্রোমাইসিন খাওয়া যায়

গর্ভাবস্থায় কি এজিথ্রোমাইসিন খাওয়া যায় এই প্রশ্নটি অনেক গর্ভবতী মায়েরা করে থাকে। তাই আমরা আজকে আলোচনা করব গর্ভাবস্থায় কি এজিথ্রোমাইসিন খাওয়া যায় নাকি যায় না সেই সম্পর্কে। গর্ব অবস্থায় এজিথ্রোমাইসিন খাওয়া যায় কিনা তা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

এজিথ্রোমাইসিন এই এন্টিবায়োটিক টি প্রয়োগ করার দুই থেকে তিন ঘন্টার মধ্যে পর্যবেক্ষণ করা যায়। তবে গর্ভাবস্থায় বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত। গর্ভবতী মহিলাদের এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না।

এজিথ্রোমাইসিন ঔষধের অন্যান্য ব্র্যান্ড সমূহ

এজিথ্রোমাইসিন ঔষধের অন্যান্য ব্র্যান্ড সমূহ গুলো যদি জানতে চান তবে এক ঝলকে দেখে নিন। এজিথ্রোমাইসিন ঔষধের অন্যান্য ব্র্যান্ড সমূহ গুলো হলোঃ-
  • AZ 500mg Capsule
  • AZ 500mg tablet
  • AZ 250mg Capsule
  • AZ 250mg tablet
  • AZ 200mg/5ml Powder for suspension
  • ATM 500mg Capsule
  • ATM 500mg tablet
  • ATM 250mg Capsule
  • ATM 250mg tablet
  • ATM 200mg/5ml Powder for suspension
  • AM 500mg Capsule
  • AM 500mg tablet
  • AM 250mg Capsule
  • AM 250mg tablet
  • AM 200mg/5ml Powder for suspension
  • Abacten 500mg Capsule
  • Abacten 500mg tablet
  • Abacten 250mg Capsule
  • Abacten 250mg tablet
  • Abacten 200mg/5ml Powder for suspension
  • Acos 500mg Capsule
  • Acos 500mg tablet
  • Acos 250mg Capsule
  • Acos  250mg tablet
  • Acos 200mg/5ml Powder for suspension
  • Azid 500mg Capsule
  • Azid 500mg tablet
  • Azid 250mg Capsule
  • Azid 250mg tablet
  • Azid 200mg/5ml Powder for suspension
  • Amzith 500mg Capsule
  • Amzith 500mg tablet
  • Amzith 250mg Capsule
  • Amzith 250mg tablet
  • Amzith 200mg/5ml Powder for suspension
  • Avalon 500mg Capsule
  • Avalon 500mg tablet
  • Avalon 250mg Capsule
  • Avalon 250mg tablet
  • Avalon 200mg/5ml Powder for suspension
  • Avalon 500 mg Injection
  • Azibact 500 mg capsule
  • Azibact 250 mg capsule

এজিথ্রোমাইসিন ড্রাই সিরাপ

এজিথ্রোমাইসিন ড্রাই সিরাপ সম্পর্কে যদি জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। এজিথ্রোমাইসিন ড্রাই সিরাপ সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলোঃ

Azithromycin 200 mg/5ml Powder for Suspension এর দাম ১২০ টাকা। এজিথ্রোমাইসিন সংবেদনশীল জীবাণু ঘটিত সংক্রমনের নির্দেশিত হয়ে থাকে। শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, যেমন ব্রংকাইটিস এবং নিউমোনিইয়া, শ্বাসতন্ত্রের উর্ধাংশের সংক্রমণ, যেমন সাইনোসাইটিস, ফেরিনজাইটিস বা টনসিলাইটিস, মধ্য কানের সংক্রমণ, ত্বকও অন্যান্য নরমের সংক্রমণ, পুরুষ এবং মহিলার যৌনবাহিত রোগ যেমন নন-গণকক্কাল ইউরেট্রাইটিস, সার্ভিক্স এর সংক্রমণ গঠিত চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সতর্কতাঃ

শুধুমাত্র রেজিস্টার ডাক্তার বা চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক সেবন, ব্যবহার ও বিক্রি করা উচিত। এক্ষেত্রে রেজিস্টার চিকিৎসের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক এর সম্পূর্ণ কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে এবং নির্দেশিত মাত্রায় ঔষধ এবং নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত ঔষধ সেবন করতে হবে।

শেষ কথা

উপরের আলোচনা অনুযায়ী যদি আপনি এজিথ্রোমাইসিন এর কার্যকারিতা পার্শপ্রতিক্রিয়া ও কাজ সম্পর্কে জানতে পারেন তবে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিবেন। এই পর্বটি পড়ে যদি আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই অন্যদের মাঝে শেয়ার করবেন। সম্পর্কে আপনার যদি কোন মন্তব্য থাকে তবে আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url